008922
Total Users : 8922
Charbak magazine logo
sorolrekha logo

প্রবন্ধ

পুঁজিবাদের গণতন্ত্র বনাম প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্র

মহামতি সক্রেটিসের গুণমুগ্ধ শিষ্য প্লেটো (প্লেটো খ্রি.পূ. ৪২৭-৩৪৭) শৈশব থেকেই স্বপ্ন দেখতেন জ্ঞান-সত্য-সুন্দর-কল্যাণের এক মহামান্বিত মানবজীবনের। মানবশিশু রাষ্ট্রের সম্পদ। শিশুকে জন্ম দেয়া যেমন মাতা-পিতার প্রাকৃতিক

সম্পূর্ণ পড়ুন »

ইউটোপিয়া, আদর্শ রাষ্ট্র এবং প্লেটোর কবির নির্বাসন

যথার্থই প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্রকে কল্প-রাষ্ট্র বা ইউটোপিয়া বলা যাবে কি-না তা নিয়ে বিস্তর তর্ক-বিতর্ক আছে। টমাস মুরের ইউটোপিয়ার কল্যাণে শব্দটি ব্যাপক পরিচিতি পেলেও প্লেটোর রিপাবলিক’কে

সম্পূর্ণ পড়ুন »

টুনুর গৃহস্থালি ও চাঁন মিঞার বিপ্লব

দুপুরে ভাত খাওয়ার পর গোয়ালঘরের দরজার পাশের খুপরিটায় মাচানের উপর পা তুলে বসতেই দুইচোখে ঘুমের ঢল নামে। মাথাটা ঝিম ঝিম করতে থাকে। পিছনের নারিকেলগাছের মাথায়

সম্পূর্ণ পড়ুন »

পুনঃপাঠ- চার্বাক দর্শন

‘না আছে বুদ্ধি, না খেটে খাবার মতো গতর; এমনতর অকর্মণ্য যে পুরোহিতশ্রেণি, তাদেরই একটা হিলে­ হিসেবে রচিত হয়েছে অগ্নিহোত্র যজ্ঞের কথা, তিন তিনটে বেদ, এবং

সম্পূর্ণ পড়ুন »

শ্রদ্ধাঞ্জলি- খোন্দকার আশরাফের অন্ধ মানুষ

খোন্দকার আশরাফ হোসেনের সম্ভবত অষ্টম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘আয়(না) দেখে অন্ধ মানুষ’। গ্রন্থটির এই নামের প্রথম শব্দটির প্রথম বন্ধনিটি তুলে দিলে দেখা যায় নামটিতে চারটি শব্দ

সম্পূর্ণ পড়ুন »

লিয়াকত ভাই ও তাঁর দর্শনের পাঠচক্র

২০০৩ সাল। অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। লেখাপড়া বিশেষ করতে হয় না। মাঝে মাঝে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করি। একদিন গেছি পাবলিক লাইব্রেরিতে। পাবলিক লাইব্রেরিতে অনেক ভাল বই

সম্পূর্ণ পড়ুন »

বাঙালির আড্ডা এবং সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র

বাঙালির আড্ডা নিয়ে লিখতে বসে যেসব বিষয় মনের আকাশে ভিড় জমাচ্ছে সেগুলো হলো তার চমৎকার আড্ডাবিষয়ক উত্তরাধিকার। আড্ডার সাথে জড়িয়ে আছে সমৃদ্ধ ইতিহাস, রাজনীতি, সাহিত্য,

সম্পূর্ণ পড়ুন »

বাঙালির সংগঠন, সংগঠনচিন্তা ও অধ্যাপক লিয়াকত আলি

‘জ্ঞানের উত্তরোত্তর বিশেষায়নের সঙ্গে মানবিক চর্চার সমন্বিত রূপটির ক্ষয়প্রাপ্তি ঘটছে। সভ্যতার এ পর্যায়ে এসে প্রায়োগিক কারণেই জ্ঞানের বিষয়ভিত্তিক ক্রমবিভাজন অপরিহার্য, কিন্তু মনন ও সৃষ্টিশিলতার সামগ্রিক

সম্পূর্ণ পড়ুন »

বিকাশ কেন্দ্র-আমার অসমাপ্ত গল্প!

আমার জীবনে বিকাশ কেন্দ্রের অভিজ্ঞতা বা ভূমিকা ঠিক কিরকম সে কথা লিখতে বসে কিছুটা বিপাকেই পড়লাম। কি লিখব? কোথা থেকে শুরু করবো? বিকাশ কেন্দ্রের সঙ্গে

সম্পূর্ণ পড়ুন »

সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র: বিকশিত চিন্তা আর মুক্তমত প্রকাশের স্থান

একটি গল্প বলি। একজন ভদ্রলোক তার প্রার্থনা করার সময় একটি বিড়ালকে বেঁধে রাখতেন, প্রার্থনা শেষে বিড়ালটি আবার ছেড়ে দিতেন। তাদের সন্তানেরা এই দৃশ্য দেখত। অনেকদিন

সম্পূর্ণ পড়ুন »

লেখক তালিকা

জন্ম. ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পাত্রখোলা চা বাগানে। সম্পাদনা করছেন ‘চারবাক’ ‘সরলরেখা’ এবং ‘অযান্ত্রিক’। যুক্ত আছেন সাপ্তাহিক সাহিত্য আড্ডা ‘শুক্কুরবারের আড্ডা’র সাথে। লিটল ম্যাগাজিন সংগ্রহ ও প্রদর্শন কেন্দ্রের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকাশিত গ্রন্থ: মায়াহরিণ, কাব্যগ্রন্থ ২০০৮, চারবাক, বুদ্ধিজীবীর দায়ভার, সম্পাদনা ২০০৯, সংবেদ, পক্ষ—প্রতিপক্ষ অথবা শত্রু—মিত্র, প্রবন্ধ ২০১০, চারবাক, নির্বাচিত চারবাক, সম্পাদনা ২০১১, চারবাক, নাচঘর, কবিতা, ২০১২, চারবাক, ভাষা সাম্প্রদায়িকতা অথবা সাম্রাজ্যবাদি খপ্পর, প্রবন্ধ, ২০১৩, চারবাক এবং মুখোশ, কবিতা, ২০১৬, চারবাক, করোনাকালে, কবিতা, ২০২২, চারবাক।
View Posts →
কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক
View Posts →
প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ
View Posts →
বাংলাদেশের উত্তরউপনিবেশি ভাবচর্চার পথিকৃৎ ফয়েজ আলম একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, অনুবাদক। উপনিবেশি শাসন-শোষণ আর তার পরিণাম, রাষ্ট্র ও সমধর্মী মেল কর্তৃক ব্যক্তির উপর শোষণ-নিপীড়ন ও ক্ষমতার নানামুখি প্রকাশ আর এসবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকে থাকার কৌশল নিয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে লিখছেন তিনি। বিশ্বায়নের নামে পশ্চিমের নয়াউপনিবেশি আর্থ-সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আর রাষ্ট্র ও স্বার্থকেন্দ্রিক গোষ্ঠীর শোষণচক্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তার লেখা আমাদের উদ্দীপ্ত আর সাহসী করে তোলে। রুহানিয়াত সমৃদ্ধ দার্শনিক ভাবচর্চা আর সাহিত্যিক-রাজনৈতিক তত্ত্বচর্চাকে একসাথে কবিতার দেহে ধারণ করতে সক্ষম ফয়েজ আলমের সহজিয়া কবিতা। তার কবিতায় তিনি মানুষের প্রাত্যহিক মুখের ভাষার প্রতি উন্মুক্ত। যে ভাষাকে আমরা ব্রাত্য বানিয়ে রেখেছি একেই তিনি জায়গা করে দিয়েছেন কবিতায়। তাই প্রচলিত কাব্যভাষা থেকে তার কবিতার ভাষা ভিন্ন। বিভিন্ন প্রবন্ধে তিনি এ ভাষাকেই বলেছেন মান কথ্যবাংলা, আঞ্চলিকতার বাইরে সর্বাঞ্চলীয় বাঙালির প্রতিদিনের মুখের ভাষা। কবিতাগুলো কখনো কখনো বিভিন্ন ধ্বনি ও শব্দে বেশি বা কম জোর দিয়ে কথা বলার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করতে পারে, যেভাবে আমরা হয়তো আড্ডার সময় কথা বলি। এবং তা একই সাথে বক্তব্যের অতিরিক্ত ভাষারও অভিজ্ঞতা। খোদ ‘আওয়াজের সাথে ইশক’ যেন। প্রাণের আকুতি ও চঞ্চলতার সাথে তাই শূন্যতাও হাজির আছে। সেই সাথে জারি আছে ‘শব্দের দিলের ভিতরে আরো শব্দের আশা’। ফয়েজ আলমের জন্ম ১৯৬৮ সালে, নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ার যোগীরনগুয়া গ্রামে। বাবা মরহুম শেখ আবদুস সামাদ, মা সামসুন্নাহার খানম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে বিএ (সম্মান) ও এমএ পাশ করার পর প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণার জন্য এমফিল. ডিগ্রী লাভ করেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজ: ব্যক্তির মৃত্যু ও খাপ-খাওয়া মানুষ (কবিতা, ১৯৯৯); প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি ( গবেষণা, ২০০৪); এডওয়ার্ড সাইদের অরিয়েন্টালিজম (অনুবাদ, ২০০৫); উত্তর-উপনিবেশি মন (প্রবন্ধ, ২০০৬); কাভারিং ইসলাম (অনুবাদ, ২০০৬), ভাষা, ক্ষমতা ও আমাদের লড়াই প্রসঙ্গে (প্রবন্ধ, ২০০৮); বুদ্ধিজীবী, তার দায় ও বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব (প্রবন্ধ, ২০১২), জলছাপে লেখা (কবিতা, ২০২১), রাইতের আগে একটা গান (কবিতা, ২০২২); ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস (প্রবন্ধ, ২০২২)।
View Posts →
কবি ও গল্পকার। যুক্ত আছেন চারবাক সম্পাদনা পরিবারের সাথে।
View Posts →
কবি। জন্ম মৌলভীবাজার জেলায়।
View Posts →

সম্পূর্ণ লেখক তালিকা